

আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে পর্দা উঠতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। ইতিহাসে প্রথমবার ৪৮ দলের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই মহাযজ্ঞ শুরুর অপেক্ষায় এখন মাত্র কয়েক মাস। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বিশ্বজুড়ে ততই বাড়ছে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’–এর উন্মাদনা।
বিশ্বভ্রমণের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফি বাংলাদেশ সফর করে গেছে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত সামনে থেকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। যদিও বর্তমান প্রজন্মের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে বাস্তবতা কঠিন, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একদিন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরবে—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন-
এবার সেই আশার কথাই আরও বড় করে বললেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক অনুসারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে পারে। তার ভাষায়, নতুন দেশগুলোকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়াই ফিফার অন্যতম লক্ষ্য।
উদাহরণ হিসেবে ইনফান্তিনো প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা কয়েকটি দেশের নামও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে আফ্রিকা অঞ্চলের কেপ ভার্দ, কনক্যাকাফ অঞ্চলের কুরাসাও, পাশাপাশি উজবেকিস্তান ও জর্ডানের মতো দল।
বাংলাদেশকে নিয়ে আশার কারণও ব্যাখ্যা করেন ফিফা সভাপতি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি ফুটবলপ্রেমী দেশ এবং এখানে ফুটবলের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। দেশের ফুটবল অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্টদের উন্নয়নে ফিফা নিয়মিত বিনিয়োগ করছে বলেও জানান তিনি। তার মতে, প্রতিভা সর্বত্র রয়েছে এবং সঠিক পরিকল্পনা থাকলে বাংলাদেশকেও একদিন বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যেতে পারে।
বাস্তবতা অবশ্য এখনো কঠিন। বিশ্বকাপ তো দূরের কথা, এশিয়ার সর্বোচ্চ আসর এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ খেলেছে মাত্র একবার, সেটিও ১৯৮০ সালে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রবাসী ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তি নিয়েও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসেনি। তবুও আশাই শেষ ভরসা—হয়তো একদিন বিশ্বকাপের মঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা সত্যিই উড়বে।
চ্যানেল ২৫ বাংলা/তৌহিদ
Comment