
শীতকালকে সাধারণত আরাম ও বিশ্রামের সময় মনে করা হলেও ইসলামের পুণ্যবান পূর্বসূরি সালাফে সালেহিনদের কাছে এ সময়টি ছিল ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির বিশেষ মৌসুম। তাঁদের দৃষ্টিতে শীত অলসতার নয়, বরং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ। দীর্ঘ রাত ও সংক্ষিপ্ত দিনকে তাঁরা আল্লাহর এক অনন্য নিয়ামত হিসেবে গ্রহণ করতেন।
ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায়, শীতের রাতে নামাজ ও কিয়ামের সুযোগ বেড়ে যায় এবং ছোট দিনে রোজা রাখা সহজ হয়। হজরত উমর (রা.) শীতকালকে ইবাদতকারীদের জন্য বড় গনিমত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। হজরত ইবনু মাসউদ (রা.) শীত আসলে আনন্দ প্রকাশ করতেন, কারণ এতে বরকত নেমে আসে বলে তিনি বিশ্বাস করতেন।
তাবেয়ি ও ইমামগণ শীতকে আমল বৃদ্ধির সময় হিসেবে দেখেছেন। ইমাম ইবনু রজব (রহ.) শীতকে মুমিনের বসন্তকাল বলে উল্লেখ করেন। সব মিলিয়ে, শীতকাল ঈমান জাগ্রত করার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
Comment